যে পূজার বেদী রক্তে গিয়েছে ভেসে, ভাঙো ভাঙো আজি ভাঙো তারে নিঃশেষে/ ধর্মকারার প্রাচীরে বজ্র হানো, এ অভাগা দেশে জ্ঞানের আলোক আনো ।
কে লইবে মোর কার্য ? কহে সন্ধ্যা রবি, শুনিয়া জগত রহে নিরুত্তর ছবি। মাটির প্রদীপ ছিল, সে কহিল, “স্বামী ,আমার যেটুকু সাধ্য করিব তা আমি”।
কেরোসিন শিখা বলে মাটির প্রদীপে, ভাই বলে ডাকো যদি দেব গলা টিপে। হেনকালে গগনেতে উঠিলেন চাঁদা, কেরোসিন শিখা বলে ‘এসো মোর দাদা।’
প্রাচীরের ছিদ্রে এক নাম গোত্রহীন ফুটিয়াছে ছোট ফুল অতিশয় দীন । “ধিক ধিক” বলে তারে কাননে সবাই , সূর্য উঠি বলে তারে, “ভাল আছ ভাই”?
যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে , সহস্র শৈবাল-দাম বাঁধে আসি তারে। যে জাতি জীবন হারা অচল অসাড়, পদে পদে বাঁধে তারে জীর্ণ লোকাচার।